বন্দর(নারায়ণগঞ্জ)প্রতিনিধি
বন্দরে
ভয়াবহ
পরিবেশ
দূষণ
ঘটাচ্ছে ডংজি
লংজিভিটি নামে
একটি
ব্যাটারী কারখানা। পরিবেশ
অধিদপ্তরের নিষেধাজ্ঞা ও
জরিমানা সত্ত্বেও কারখানা সংলগ্ন
জলাশয়ে তরল
অপরিশোধিত ও
বাতাসে
উড়ন্ত
বর্জ্য
নিঃসরণ
করে
পরিবেশ
দূষণ
করছে।
এর
ফলে
চোখের
রোগসহ
নানা
রোগজীবাণুতে আক্রান্ত হচ্ছেন
এলাকাবাসী। বর্জ্যের কারণে
ব্যাটারি কারখানার আশপাশের দুটি
শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা বিঘ্নিত হচ্ছে।
তাই
দূষণরোধে নারায়ণগঞ্জ জেলা
প্রশাসক, নাসিক
মেয়র
ও
পরিবেশ
অধিদপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছে এলাকাবাসীসহ স্থানীয় দুই
শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও
অভিভাবকরা।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ
করা
হয়,
বন্দরের লক্ষণখোলা একটি
ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা।
দুই
বছর
আগে
এখানে
ফজলুল
রহমান
উচ্চ
বিদ্যালয় ও
একটি
হাফেজিয়া মাদ্রাসার কোল
ঘেঁষে
ডংজি
লংজিভিটি নামে
একটি
চায়না
ব্যাটারী কারখানা গড়ে
উঠে।
শুরু
থেকেই
কারখানাটি অপরিশোধিত বর্জ্য
অপসারণ
শুরু
করে।
গ্রামবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে বন্দর
উপজেলা
সহকারী
কমিশনার(ভুমি)
আফিফা
খানম
নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে
৯
অক্টোবর বুধবার
ব্যাটারী কারখানায় ভ্রাম্যমান আদালত
পরিচালনা করেন।
এ
সময়
তিনি
পরিবেশ
দূষণের
বিষাক্ত বর্জ্য
নিঃসরণ
দেখতে
পান।বন্দর উপজেলা
কমিশনার (ভুমি)
আফিফা
খানম
জানান,
নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ডংজি
লংজিভিটি ব্যাটারী কারখানায় অভিযান
চালানো
হয়।
অভিযানের সময়
দেখা
যায়
শ্রমিকদের মুখে
মাস্ক
লাগোনো
বাধ্যতামূলক হলেও
কোন
শ্রমিকের মুখে
মাস্ক
লাগোনো
নেই।
বিষাক্ত বর্জ্য
পরিশোধন না
করেই
কারখানা সংলগ্ন
পুকুরের পানিতে
ফেলা
হচ্ছে,
এ
কারণে
ব্যাটারী কারখানাকে এক
লাখ
টাকা
জরিমানা করা
হয়েছে।
পরিবেশ
অধিদপ্তরের সহকারী
পরিচালক মইনুল
হক
এ
সময়
উপস্থিত ছিলেন।


0 Comments