নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকার পরও বিএনপি-জামাত নেতা বন্দর থানা যুবদলের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক এবং হত্যা মামলার আসামী মোমেন(৩০) ও তার ভাই মাদক ব্যবসায়ী আল আমিন(৩২) এবং তার চাচা শফিউল্লার চাঁদাবাজি ও অত্যাচার থেকে রক্ষা পাচ্ছেনা নাসিক ২৭ নং ওয়ার্ড অন্তর্গত বন্দরের মদনপুর ফুলহরবাসী।
মোমেন ও আল আমিন ফুলহর এলাকার বিএনপি নেতা শহিদুল্লার ছেলে।
এলাকাবাসী জানান, বিএনপি নেতা মোমেন একজন খুনি।তার অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় ফুলহর গ্রামের রিপনকে সে হত্যা করেছিলো। তাছাড়া সে রিপনের ভাই মাসুদকে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করায় প্রাণনাসের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন রিপনের পরিবার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক গ্রামবাসী জানান, বিএনপি নেতা শহিদুল্লার ছেলে মোমেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে থেকে বালুর ব্যবসা ও বিভিন্ন ঠিকাদারি ব্যবসা করে টাকা উপার্জন করে বিএনপি জামাতের অর্থের জোগান দিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া মোমেনের পরিবার বিএনপি জামাতের হওয়ায় সে বর্তমানে বিভিন্ন সরকার বিরোধী কর্মকান্ডের সাথে সরাসরি জরিত। মোমেন ও আল আমিনের চাচা শফিউল্লার একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের মদনপুর ইসলামিয়া মার্কেটের সামনে ফুটপাত দখল করে চাঁদা আদায় করে মোমেনের পরিবার।
তাদের ভয়ে এলাকার সাধারণ মানুষ মুখ খুলে কথা বলতে পারেনা।ফুলহর এলাকা চাঁদাবাজী,জুয়া ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে মোমেন আল আমিন ও তাদের চাচা শফিউল্লা।
নারায়ণগঞ্জের তৎকালীন শীর্ষ সন্ত্রাসী কামু-সুরত আলীর মৃত্যুর পর দীর্ঘদিন এই এলাকার মানুষ শান্তিতে ছিলো।অবশেষে বিএনপি নেতা শহিদুল্লার ছেলে মোমেন,আল আমিন ও তার ভাই শফিউল্লার নেতৃত্বে নতুন করে সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে উঠে। বর্তমানে ফুলহর এলাকায় কোন লোক নতুন বাড়ী করতে গেলে কিংবা জায়গা জমি কিনতে গেলে অথবা কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতে হলে মোমেন,আল আমিন ও শফিউল্লাকে মোটা অংকের চাঁদা দিতে হয়।মদনপুর ফুলহরের টপটেরর মোমেন,আল আমিন ও শফিউল্লা বাহিনীকে ইতিপূর্বে কয়েকবার পুলিশ গ্রেফতার করলেও অবৈধ টাকার জোরে তারা ছাড়া পেয়ে আবারও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে যাচ্ছে।
মোমেন,আল আমিন ও শফিউল্লার নামে স্থানীয় বন্দর থানাসহ বিভিন্ন থানায় হত্যা,মাদক ও সন্ত্রাসী হামলাসহ বিভিন্ন মামলা থাকার পরও অবৈধ টাকার জোরে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে তারা এসব অপরাধ করে যাচ্ছে।
সন্ত্রাসী মোমেন রাতের আধারে ব্যবসায়ী রিপনকে বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে এবং তার চাচা শফিউল্লা দিনে দূপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে স্থানীয় এক মেম্বারকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।
মোমেন,আল আমিন ও সন্ত্রাসী সফিউল্লার হাত থেকে রক্ষা পেতে নারায়ণগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার(এসপি) হারুন অর রশীদ(পিপিএম,বিপিএম) বারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।


0 Comments