সারোয়ার ছিলেন নাসিম ওসমানের কর্মী


শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম সারোয়ারের চতুর্থ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ দোয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপরে নগরীর চাষাঢ়া এলাকারবাগনবাড়ি রেস্টুরেন্টেনারায়ণগঞ্জ অটো রিক্সা সিএনজি চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রিপন সরদারের উদ্যোগে মিলাদ দোয়া হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গোলাম সারোয়ারের ছোট ভাই মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল। তিনি বলেন, অনেকেই মনে করেন গোলাম সারোয়ার আমাদের নেতা শামীম ওসমানের ছাত্র কিংবা তার ছোট ভাই। আসলে কিন্তু গোলাম সারোয়ার শামীম ওসমানের কর্মী ছিলেন না। তিনি ছিলেন, প্রয়াত সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম নাসিম ওসমানের রাজনৈতিক ছাত্র। তিনি আরও বলেন, সারোয়ার ভাই বঙ্গবন্ধুকে ভীষণ ভালোবাসতেন। তার আদর্শের সৈনিক ছিলেন তিনি। গোলাম সারোয়ার হাদিস অনুযায়ী চলতেন। তিনি মানুষের জন্য কাজ করতেন। তিনি ছিলেন সকলের প্রিয় নেতা, ভালোবাসার মানুষ। চলুন আজকের এদিনে আমরা তার জন্য দুহাত তুলে দোয়া করি, আল্লাহ্ যেন তাকে বেহেস্ত নসিব করেন এবং তার আত্মার শান্তি দান করেন। গোলাম সারোয়ারের আরেক ছোট ভাই শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া সাজনু বলেন, গোলাম সারোয়ার একজন বঙ্গবন্ধু আদর্শের সৈনিক ছিলেন। অসহযোগ আন্দোলনের সময় রাজপথে আন্দোলন করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছিলো। কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জ কারাগারে নিয়ে আসার সময় রাত তিনটায় পুুলিশের সামনে স্লোগান দিয়েছিলো, ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, জয় হোক জননেত্রী শেখ হাসিনার সেই নেতা আমাদের সকলের প্রিয় গোলাম সারোয়ার। এমন সাহসী নেতার ইতিহাস বলে শেষ করা যাবে না। শুধু একটি কথা বলবো, আমরা যেন গোলাম সারোয়ারকে ভুলে না যাই, আমরা যেন গোলাম সারোয়ারের মত এতটা আদর্শিক নেতা হতে পারি। আলোচনা শেষে গোলাম সারোয়ারের বিদেহী আত্মার মাগফিরা কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত সকলের মাঝে নেওয়াজ বিতরণ করেন প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দরা। মোজাম্মেল হোসেন লিটনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামীলীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ, মো. পলিন, মো. লাভলু, মো. কটু, অসিম, রিপন ঘোষ, সাংবাদিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. আরিফুজ্জামান আরিফ, দৈনিক অপরাধ রিপোর্টের সম্পাদক খন্দকার মাসুদুর রহমান দিপু নারায়ণগঞ্জ অটো রিক্সা চালক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মো. নুরু পাটোয়ারী, যুগ্ম সম্পাদক আক্তার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ হারুন অর রশীদ, আনোয়ার প্রমূখ। প্রসঙ্গ, ২০১৫ সালের সালের আজকের এদিনে ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান গোলাম সারোয়ার। পরের দিন অর্থ্যাৎ ৩১ অক্টোবর সকাল ১১ টায় নগরীর চাষাঢ়া গোল চত্ত্বরে গোলাম সারোয়ারের নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে জানাযায় প্রায় সহস্রাধীক নেতাকর্মী অংশগ্রহন করে। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় মাসদাইর সিটি কবরস্থানে এবং সেখানেই তাকে দাফন করা হয়।

Post a Comment

0 Comments