নারায়ণগঞ্জ জেলা বিসিডিএস' এর সভাপতি মো: শাজাহান খান বলেছেন, কমিশন বানিজ্যের কারণে ডাক্তাররা ভেজাল ও নগদ ওষুধ লিখে রোগীদের প্রতারিত করছে। ডাক্তাররা অর্থের লোভে পড়ে রোগীদের ফুডসাপলিমেন্ট লিখে দিচ্ছে। আর রোগীদের বলে দিচ্ছেন ওষুধ কিনে আমাকে দেখিয়ে নিয়েন। অনেক সময় রোগীরা ডাক্তারের লেখা প্রেসক্রিপশনের ওষুধ দোকানে না পেলে ব্যাগ নিয়ে বসে থাকা লোকদের দেখিয়ে দিয়ে সেখান থেকে কিনে নিতে। আর ডাক্তাররা এমন নকল ওষুধ লিখে শুধু মাত্র কমিশনের জন্য। এমনো ওষুধ আছে ৪ টি লিখলে দুই হাজার টাকা কমিশন পাচ্ছে ডাক্তাররা। তাদের অর্থের লোভের কারণে রোগীরা প্রতারিত হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ফতুল্লার পঞ্চবটিস্থ এ্যাডভেঞ্চার ল্যান্ডের চাই পাই চাইনিজ রেস্টুরেন্টে বি.সি.ডি.এস সমিতি মুসলিমনগর আঞ্চলিক শাখার উদ্যোগে নকল, ভেজাল, মেয়াদউত্তীর্ণ ওষুধ এবং এন্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে জনসচেতনতা মূলক মতবিনিময় সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি নারায়ণগঞ্জ জেলা ড্রাগ সুপার (ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর) মো: ইকবাল হোসেন বলেন, যারা বৈধ ভাবে ওষুধ বিক্রি করছে তারা ডাক্টার না হয়ে তাদেরকে মানুষ ডাক্তার বলছে। এ পেশাটা কতটুকু সম্মানজনক পেশা। এ পেশাটাকে অসম্মান করা যাবে না। আমরা চাই মানুষকে সেবা দিয়ে নিজের সম্মান ধরে রাখতে হবে। বেশি মুনাফার জন্য রোগীদের সাথে প্রতারনা করা যাবে না। মতবিনিময় সভায় বি.সি.ডি.এস সমিতি মুসলিমনগর আঞ্চলিক শাখার সভাপতি হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে সংগঠনের সাধারন সম্পাদক ইদ্রিস আলী মিন্টুর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বি.সি.ডি.এস সমিতির ফতুল্লা থানার সভাপতি ও জেলার সহসভাপতি নাসির উদ্দিন, জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক নেফাউল ইসলাম জুয়েল, ফতুল্লা থানা শাখার সাধারন সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সেতু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বি.সি.ডি.এস সমিতি মুসলিমনগর আঞ্চলিক শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মনির হোসেন, সহসভাপতি মো: বাবুল, মো: আলী রেজা মিয়াজী, জহিরুল ইসলাম মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা, সদস্য রিয়াজুল ইসলাম।


0 Comments