স্টাফ রিপোর্টার ঃ
সোনারগাঁয়ে আসন্ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে একজন জামায়াত ঘেষা ইউপি চেয়ারম্যান স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হতে জোর তদ্বির ও লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জোর গুঞ্জন চলছে। শুধু তাই নয়, তিনি যাতে সভাপতি হতে পারেন সেজন্য দলের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগ নেতাও জড়িত রয়েছেন। এনিয়ে দলীয় অঙ্গনে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্টসূত্রে জানাগেছে, সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউসুফ দেওয়ান বর্তমান সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক কমিটির আশির্বাদে নোয়াগাঁও ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সভাপতি হওয়ার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। যতদূর জানা যায়, ইউসুফ দেওয়ানের পরিবারটি জামায়াতি ইসলামী ঘেষা। তার এক ভাই সিব্বির আহম্মেদ ঢাকার ডেমরা সারুলীয়া এলাকার জামায়াতের একজন সক্রিয় কর্মী। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ও জামায়াত ঘেষা, ইউসুফ দেওয়ান নিজে ও জামায়াত ঘেষা ছিল, নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময়ে সোনারগাঁ থানা আওয়ামী লীগের এক নেতার হাত ধরে আওয়ামী লীগের পথ চলা, তার উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করা বা শক্তিশালী করা নয়, নিজেকে সংগঠিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়া এবং তাই হয়েছে। সে কখনোই আওয়ামী লীগের মিছিল মিটিংয়ে সক্রিয় ছিল না। চেয়ারম্যান নির্বাচন করার জন্য সে প্রচুর মিছিল মিটিং করেছিল। বর্তমানে সে নোয়াগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হওয়ার জন্য চেষ্টা তদ্ববির চালিয়ে যাচ্ছে। সে নিজেকে জননেতা শামীম ওসমানের প্রার্থী বলে এলাকায় প্রচার করছে ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হুমকি ধমকী দিচ্ছে। কিন্তু ইউনিয়নের তৃনমূল নেতাকর্মী ও সাধারন জনগনের পছন্দের প্রার্থী সাবেক ইউনিয়ন যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সফল সভাপতি মোঃ ছাইদুর রহমান মোল্যা। তিনি নারায়ণগঞ্জে একটি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের মালিক ও বিকেএমইএ এর সদস্য। সূত্রে আরোও জানা যায়, গত পহেলা অক্টোবর নোয়াগাঁও ইউনিয়নের তৃনমূূল নেতাকর্মী ও ইউনিয়ন পরিষদের ১০ জন মেম্বার বাংলাদেশ স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ডাঃ আবু জাফর চৌধুরী বীরুর সাথে স্বাক্ষাৎ করে ছাইদুর রহমান মোল্যাকে নোয়াগাঁও ইউনিয়নের সভাপতি করার জন্য দাবী জানায়। এই খবর প্রচার হলে চেয়ারম্যান ইউসুফ দেওয়ান পরের দিন মেম্বারদের পরিষদে ডেকে নিয়ে মা মাসিকে তুলে অকথ্য ভাষায় গালীগালাজ করে, গালীগালাজের এক পর্যায়ে মেম্বাররা পরিষদ থেকে বেড়িয়ে যায় এবং চেয়ারম্যানকে বয়কট করে এতে করে চেয়ারম্যান একা হয়ে পরে, অবস্থা বেগতিক দেখে অনেক চেষ্টা করে চেয়ারম্যান মেম্বারদের নিকট হাত জোর করে ক্ষমা চেয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। সূত্র মতে চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের এড়িয়ে চলে ও বিএনপির নেতা কর্মীদের নিয়ে পরিষদ চালায়। বিষয়টির দিকে নজর দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে স্থানীয় তৃণমূল আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাই ও সাধারন সম্পাদক আবু হাসনাত মো: শহীদ বাদলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


0 Comments