সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আলমগীর ব্যাপরোয়া


সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের নাকের ডগায় মাদক ব্যবসায়ী আলমগীর তাদের শেল্টারে থেকে মুক্তিনগর এলাকায় এাসে পরিনত হয়েছেন এলাকার সাধারন মানুষ শিক্ষিত যুব-সমাজ দিনে দিনে মাদকে আশক্ত হয়ে ধ্বংসের মূখে চলে যাচ্ছে তার এহেন কর্মকান্ডে এলাকাবাসী অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন
সংশ্লিষ্টদের মতে জানাগছে, আলমগীর হোসেন(৩৯) পিতা মৃত্যু ওয়াহেদ মিয়া, তার স্ত্রী আসমা আক্তার(৩২) আসমার ছোট ভাই সোহেল(২৫) পিতা মো: আফসার উদ্দিন উভয় সাং মুক্তিনগর নয়াআটি, থানা সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা নারায়ণগঞ্জ তাদের শেল্টারে থাকা অজ্ঞাতনামা আরো একটি মাদক ব্যবসায়ী চক্র সক্রিয় ভাবে সঙ্গবদ্ধ হয়ে মাদক বেচা-কেনায় লিপ্ত থাকেন এধরনের কর্মকান্ড দীর্ঘ বছর ধরে ধুমছে চলছে মুক্তিনগর নয়াআটি-সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় জানাগেছে, আলমগীর মাদক ব্যবসায়ীদের ডিলার দাতার মূলহোতা তিনি ধরা-ছোয়ার বাইরে থাকেন মাদক বিক্রয়ের কাজে লিপ্ত করান আলমগীরের স্ত্রী আসমা তার শ্যালক সোহেল আবার কখনো কখনো আলমগীর সোহেল গভির রাতের আধাঁরে ঢাকা-সিলেট ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ছিনতাই করে স্থানীয় থানা পুলিশ ডিবি পুলিশের হাতে একাধীকবার গ্রেফতার হয়ে জেল খাটেন তারা এবং আসমা, আলমগীর সোহেল একাধীক মাদক মামলাসহ বিভিন্ন মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী বলে ব্যাপক সূত্রে জানাযায়
অনুসন্ধানে জানাগেছে,  মুক্তিনগর নয়াআটি এলাকায় ১৯ শতাংশ একটি ভূমি সি,এস এস, ২৪৯ নং দাগে আর,এস ১৫০/১৫০-৬৯৫ নং দাগের বাড়ি ১৯ শতাংশের অন্দরে .৬৫ শতাংশ আম-মোক্তারকৃত বটে যাহার চৌহদ্দি উত্তরে মোহাম্মদ আলী গং, দক্ষিণে মমতাজ উদ্দিন, পূর্বে হাকিম গং, পশ্চিমে রাস্তা পূর্ব দক্ষিণ কোনের সাড়ে শতাংশ বাদে সাড়ে ১৪ শতাংশের কাতে .৬৫ শতাংশ আম-মোক্তার দলিল গ্রহিতাদ্বয়- মো: সাদ্দাম হোসেন, সমমেহের বেগম, ফাতেমা মো: নুরুল হক তারা জুন এক তারিখ ২০১৭ সালে মো: ইব্রাহিম আসমাকে আম-মোক্তার নিয়োগ করেন ইতিমধ্যে তাদের বিবাধী মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর তার ছেলে সজল তাদের সাথে দীর্ঘদিন যাবত, জমি দখল দারিত্ব নিয়ে হামলা-মামলার বিরোধ থাকে বিধায় তার শক্তিশালী সহযোগীতা হিসেবে কিংবা আত্ম-রক্ষার জন্য সাংবাদিক নিশান নামে তাকে ২৩/১১/২০১৭ সালে স্বীকারোক্তি বা চুক্তিপত্র নামা দলিল প্রথম পক্ষ নিশান দ্বিতীয় পক্ষ মো: ইব্রাহিম এবং আসমা আক্তারকে দিয়ে দলিলে উল্লেখ থাকে যে, দ্বিতীয় পক্ষ এক ইব্রাহিম পাবে পঞ্চাশ ভাগ হারে, দুই আসমা আক্তার পাবে পঁচিশ ভাগ হারে এবং প্রথম পক্ষ নিশান পাবে পঁচিশ ভাগ হারে এমতাবস্থায় আমরা চুক্তিবদ্ধ হয়ে যৌথ উদ্ধেগে কাজের অগ্রগতি হলে আমাদের বিবাদী আবু জাফর তার ছেলে সজল দ্বিতীয় পক্ষ দুই আসমা আক্তারের স্বামী মাদক ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন আট লক্ষ টাকার বিনিময়ে গোপনে উভয় পক্ষের মামলা উত্তালন করে তারা নিরব ভূমিকা পালন করেন ইতিপূর্বে এমন ধরনের ঘটনার প্রেক্ষিতে, জাফরের ছেলে সজল তার শিরাইল এলাকায় টাইচের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে, তার কাছে খোজ খবর নিয়ে জানাগেছে তাদের সাথে মিমাংসার ঘটনাটি সত্য
বিষয়ে নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক তিন জনে জানান, আলমগীর হোসেনসহ বাদী-বিবাদী উভয় পক্ষ মামলা উত্তালন করে বিবাদীর ছেলে সজল তার সাথে গোপন মিটিং আট লক্ষ টাকা রফাদফা করেন তিনি
বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি (তদান্ত) আব্দুল আজিজ ঘটনাটি শুনে একটি অভিযোগ দেওয়ার কথা বলেন তাই অভিযোগের প্রেক্ষিতে আব্দুল আজিজের নির্দেশক্রমে সরেজমিন তদন্তের জন্য এএসআই মিলনকে পাঠালে তিনি ঘটনার সত্যতা কিছু অংশ পেয়ে সরেজমিনে বসে, সাংবাদিক নিশানকে মুঠোফোনে জানান তিনি মোটা-মুটি এক লক্ষ টাকার কিছু বেশী মামলা উত্তালনের জন্য নিয়েছেন আপনার বিবাদী আলমগীর এমন ঘটনার সূত্রমতে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ঘটিকার সময় উভয় পক্ষের একটি মজলিশে বসার আমন্ত্রাণ জানান তিনি
বিষয়ে বিশ্বাস্ত্য একটি সূত্রে জানাযায়, থানার অফিসার ইনচার্জ তদান্ত(ওসি)’কে মোটা অংকের অর্থ দিয়ে ম্যানেজ করে শুক্রবারের বৈঠকে সাংবাদিক নিশাণকে আলমগীরের নেতেৃত্বে ১৫/২০ জন মহিলা নিয়ে বিভিন্ন প্রকার অবৈধ সূত্রে জড়িয়ে থানা কক্ষে কিংবা থানা গেইটে অপমান-অপদস্থ্য করবেন বলে জানান
বিষয়ে তদান্ত ওসি আজিজ এএসআই মিলনকে সাংবাদিক নিশান জানালে, তারা বিষয়টি অবমূল্যয়ন করেন তাদের ইচ্ছেকৃত ভাবে রাত ১০ ঘটিকার সময় মুঠোফোনে বৈঠকের কথা জানান এক পর্যায়ে নিশান বলেন ভাই আমি অনেক সময় ব্যয় করে সংবাদের কাজে চলে এসেছি এমতাবস্থায় আজিজ বলেন আপনি থানা থেকে পালিয়ে গেছেন এমন ধরনের কথোপকথোন প্রকাশ পায় তার মূখে
উপরিউক্ত ঘটনা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি আমলে নিলে অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের দৌরাত্মা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতো অন্যথায় পুলিশের শেল্টারে মাদক ব্যবসায়ীদের চলাফেরা আড্ডাখানা থাকলে দিনে দিনে মাদকে আশক্ত হয়ে তরুণ সমাজ যুব-সমাজ ধ্বংসের মূখে চলে যাওয়ার ব্যাপক হুমকি রয়েছে

Post a Comment

0 Comments