বিশেষ প্রতিবেদক: বহরমপুর,
এদিন মুর্শিদাবাদ জেলা সাংবাদিক সংঘের বিজন ভট্টাচার্য সভাকক্ষে উদার আকাশ পত্রিকা ও প্রকাশন আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠান শুরু হয় বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী অনিন্দিতা মোদকের কবিতা আবৃত্তির মধ্য দিয়ে।
এদিনের আলোচনা সভায় অন্যতম বিষয় হিসেবে ছিল মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্রুত রূপায়ণ, জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি), কবিতা পাঠ ও সদ্য প্রকাশিত সময়োচিত গ্রন্থ "সম্প্রীতির বীজতলা" নিয়ে আলোচনা।
উপরক্ত বিষয় নিয়ে মননশীল বক্তব্য রাখলেন বিভিন্ন গুণীজন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ ও দৈনিক পুবের কলম পত্রিকার সম্পাদক আহমেদ হাসান ইমরান, রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ ও লেখক মইনুল হাসান, বিশিষ্ট সমাজকর্মী মশিউর রহমান, অধ্যাপিকা সাবিনা ইয়াসমিন, মুর্শিদাবাদ জেলা সাংবাদিক সংঘের সম্পাদক বিপ্লব বিশ্বাস, বিশিষ্ট লেখক ও সমাজকর্মী চন্দ্রপ্রকাশ সরকার, কবি ও সম্পাদক সমীর ঘোষ, জেলার বিশিষ্ট কবি সন্দীপ বিশ্বাস।
এদিন স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন এবাদুল হক, মণিরুদ্দিন খান, চিত্রা দত্ত, সমিত মন্ডল, জয়নুল আবেদীন, হামিম হোসেন মন্ডল, এস এম নিজামুদ্দিন, এস কে এম মিজানুর রহমান, মজরুল ইসলাম, রেজাউল করিম প্রমুখ।
এদিনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল চন্দ্রপ্রকাশ সরকারের লেখা মূলব্যান প্রবন্ধ গ্রন্থ "সম্প্রীতির বীজতলা"র উপর সমৃদ্ধ ও প্রগতিশীল আলোকপাত। প্রগতিশীল আলোকপাত করেন অবসর প্রাপ্ত অধ্যাপক ও লেখক ড. আবুল হাসনাত ও শিক্ষক হাসিবুর রহমান।
মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে রাজ্য সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে আহমেদ হাসান ইমরান, মইনুল হাসান, মশিউর রহমান, বিপ্লব বিশ্বাস, মোসারফ হোসেন, উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক ফারুক আহমেদরা মূল্যবান বক্তব্য রাখলেন।
জোলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সাহিত্য ও শিক্ষা অনুরাগী মানুষের ভিড়ে হলঘর ছিল পরিপূর্ণ। বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সামশুল আলম, বাহারুল হক, বদরুদ্দোজা, আল গালিব, কাজী সিরাজুল ইসলাম, ডাফিউল মন্ডল, সুব্রত হাজরা, বদিউজ্জামান, রাজকুমার শেখ, সৌরভ হোসেন, আবরার হোসেন, সুমন চট্টোপাধ্যায়, রাসেল মন্ডল, ভিক্টর মন্ডল, সাহিন হোসেন প্রমুখ।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক ফারুক আহমেদ।
মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে দ্রুত কাজ শুরু করুক রাজ্যসরকার---এই দাবীও তোলা হয় আলোচনা সভা থেকে।
মুর্শিদাবাদ জেলা সাংবাদিক সংঘের সভাঘরটি সোমবার অপরাহ্নে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উঠেছিল। এ দিন বহরমপুরে অনুষ্ঠিত হল এনআরসি-বিরোধী সভা এবং মুর্শিদাবাদে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ ও পঠন-পাঠনের কাজ অবিলম্বে শুরু করার আহ্বান জানিয়ে এক মনোজ্ঞ আলোচনাচক্র। সেইসঙ্গে ছিল ‘সম্প্রীতির বীজতলা’ নামক একটি পুস্তকের উপর আলোচনা ও কবিতা পাঠ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সমাজকর্মী এবং কবি সাহিত্যিক ও স্থানীয় পত্রিকার বেশ কয়েকজন সম্পাদক।
মসিউর রহমান মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বলেন, অবিলম্বে এই বিশ্ববিদ্যালয় চালু হওয়া প্রয়োজন। কৃষ্ণনাথ কলেজ পশ্চিমবাংলার একটি প্রাচীন কলেজ। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েরও পূর্বে এই কলেজ গড়ে ওঠে। তাই আমার বক্তব্য– এই ঐতিহ্যবাহী কলেজটিকে স্বনামে বজায় রাখা হোক। আর মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠুক আলাদা ভাবে পৃথকভাবে অন্য কোথাও নতুন জায়গায়। মুর্শিদাবাদে জায়গার অভাব নেই। এনআরসি সম্পর্কে তিনি বলেন– এনআরসি নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল হলে যারা বাংলাদেশ থেকে আসা দলিত– নমঃশূদ্র রয়েছেন– তাঁদেরই বেশি অসুবিধা হবে। বহু রিফিউজি সংগঠন এই নিয়ে ইতিমধ্যে সোচ্চার হয়েছেন।
সাংসদ ও পুবের কলম পত্রিকার সম্পাদক আহমদ হাসান ইমরান বলেন– মুর্শিদাবাদের জনসংখ্যা প্রায় ৭৪ লক্ষ। পৃথিবীর বহু রাষ্ট্রে এত জনসংখ্যা নেই। দেশভাগের ফলে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলা। বাম আমলে মুর্শিদাবাদ ভারতের অন্যতম দারিদ্র্যপীড়িত জেলা বলে চিহ্নিত হত। বেকারত্ব ছিল চরমে। এই জেলাটিকে নো-ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। ফলে এখানে শিল্পের বিকাশ ব্যাহত হয়। ইমরান বলেন– এটা খুব আনন্দের কথা যে– মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার মুর্শিদাবাদের সার্বিক বিকাশে জোর দিয়েছে। তিনি অবশ্য একইসঙ্গে জঙ্গলমহল-পাহাড়–কৃষিপ্রধান সব এলাকার বিকাশে সচেষ্ট হয়েছেন। এটাও আনন্দের কথা– মুর্শিদাবাদে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার জন্য বিধানসভায় একটি আইন পাস করা হয়েছে। আমরা আশা করব– ‘মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়’ গড়ার এই আইন বাস্তব রূপ নেবে।
এনআরসি সম্পর্কে সাংসদ ইমরান বলেন– পশ্চিমবাংলায় এনআরসি করা এত সহজ নয়। অসমে এনআরসি করতে গিয়ে বিজেপি সরকারের মুখ পুড়েছে। যে ১৯ লাককে তারা বিদেশি বলে চিহ্নিত করেছে তাদের বিপুল অংশ বাংলাভাষী হিন্দু। বিজেপির যে নেতারা তখন বলেছিলেন– অসমে এনআরসি করতে হবে–তাদেরই নেতা হিমন্ত বিশ্বশর্মা এখন বলছেন– আমরা এই এনআরসি মানব না–মানছি না। অমিত শাহ এখন বলছেন– এনআরসি বাস্তবায়নের পূর্বে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস করা হবে। আর এর মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে আগত সমস্ত অমুসলিমকে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। শুধু বাদ থাকবে মুসলিমরা। এই নীতি আরও বিপদ ডেকে আনবে। কারণ– এই আইন বাস্তবায়িত হলে যেসব বাংলাদেশি হিন্দু পশ্চিমবাংলা বা ত্রিপুরায় রয়েছেন– তাঁদের নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য এই বলে আবেদন করতে হবে যে– আমরা বাংলাদেশি নাগরিক। ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে ভারতে এসেছি। এরপর তাঁদের নাগরিকত্বহীন অবস্থায় ছ’বছর অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে আসা এই লক্ষ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যে ভোটার কার্ড–রেশন কার্ড–আধার কার্ড এবং পাসপোর্ট সংগ্রহ করে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এখন তাঁরা অনুপ্রবেশকারী/শরণার্থী হিসেবে চিহ্নিত হবেন। যা কারও কাছে বাঞ্ছনীয় নয়। ইমরান আরও বলেন– নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল সংবিধান-বিরোধী। কারণ এটি ভারতীয় নাগরিকদের মধ্যে ধর্মীয় বিভেদ করছে– তাই সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করলে এই আইন বাতিল হয়ে যাওয়ার কথা। সেক্ষেত্রে উদ্বাস্তু অরিজিনের বাঙালিদের মুসিবত আরও বৃদ্ধি পাবে। ইমরান মুর্শিদাবাদে সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার প্রশংসা করে বলেন– মুর্শিদাবাদ জেলা সৈয়দ বদরুদ্দোজার মতো বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি তৈরি করেছে। মুর্শিদাবাদ আবারও সাংস্কৃতিক চর্চায় পশ্চিমবাংলার মধ্যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
প্রাক্তন সাংসদ মইনুল হাসান বলেন– রাজ্য সরকার যখন মুর্শিদাবাদে বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাস করেছে– তখন রাজ্য সরকার বিশ্ববিদ্যালয় গড়বেই। এ নিয়ে বিভ্রান্ত হবেন না। বিভ্রান্ত করবেন না। অসমে এনআরসি হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। কারণ তার অনেক পূর্ব ইতিহাস আছে। পশ্চিমবঙ্গে কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের কোনও নির্দেশ নেই। এখানে কোনওদিন এনআরসি প্রসঙ্গ ওঠেনি। আর মূর্খের মতো বলে দিচ্ছে– এ রাজ্যে এনআরসি করবই। দু’কোটি মানুষকে বাংলাদেশে তাড়াবই। সবাই কি তাই বিশ্বাস করবে? বাংলাদেশ কি ‘স্বাগতম’ বোর্ড ঝুলিয়ে বর্ডারে বসে আছে? এত সহজ নয়। দিলীপ ঘোষ বোকা বলে রাজ্যের মানুষ বোকা নয়।
মইনুল হাসান এ সম্পর্কে সকলকে অনুরোধ করেন– এনআরসি নিয়ে ভীত হওয়ার কোনও কারণ নেই।
উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক ও এদিনের অনুষ্ঠানের আয়েজক ফারুক আহমেদ মূল্যবান বক্তব্য রাখেন।
তিনি বলেন, 'দীর্ঘদিনের আন্দোলন সফল করতে জেলাবাসীর স্বপ্নপূরণে এগিয়ে আসার জন্য রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলি, মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণার জন্য মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীকে কুর্নিশ জানাই।
দক্ষিন দিনাজপুর, আলিপুরদুয়ার, মুর্শিদাবাদ ও দার্জিলিং-এ আরো চারটে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় হবে – বিধানসভায় এই কথা জানিয়েছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বাজেট বক্তব্যে তিনি জানিয়েছিলেন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ্যতা অনুযায়ী শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হবে। শিক্ষা ও গবেষণার গূণগত মান ও উচ্চশিক্ষার উৎকর্ষ স্থাপনে সরকার বদ্ধপরিকর। প্রায় এক দশকের দাবীকে স্বীকৃতি দেওয়া হল এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে। পিছিয়ে থাকা মানুষদের যোগ্য করে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়– মহাত্মা গান্ধীও এই ধারণা পোষন করতেন। অনগ্রসর, অবহেলিত, প্রান্তিক, সংখ্যালঘু মানুষদের অগ্রগতিতে এই কারণে নিতে হয় কিছু প্রকল্প, পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ। এবং তা রূপ দিতে হয় বাস্তবে। এই চারটে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘোষণা উন্নয়নের বাতাবরণে এক নতুন মাত্রা যোগ করল।
মুর্শিদাবাদ রাজ্যের সর্বাধিক মুসলিম প্রধান এলাকা। শিক্ষায় বহু বছর ধরে এই অঞ্চল অবহেলিত। নতুন সরকার আসার পর উচ্চশিক্ষা প্রসারে নানা উন্নয়নমূলক কর্মসূচী হয়েছে এ পর্যন্ত। মুর্শিদাবাদে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি শাখা থাকলেও শিক্ষার প্রয়োজনের তুলনায় তা একেবারেই যথেষ্ট ছিল না। কিছু কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থাকলেও কোন স্বয়ং সম্পূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় মুর্শিদাবাদে নেই। সংখ্যালঘু উন্নয়নে সারা দেশ জুড়ে নানা রকম বাধা। মৌলবাদী নানা সংগঠন অনগ্রসর উন্নয়নে নানা বাধা দিলেও আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এর বিরুদ্ধে বরাবর সরব। তিনি বরাবর অনগ্রসর উন্নয়নের পক্ষে।
নভেম্বর ২৬, ২০১৫ শহীদ মিনার কলকাতায় অনুষ্ঠিত একটি বিশাল সমাবেশে সংখ্যালঘু উন্নয়ণকামী নেতা সিদ্দীকুল্লা চৌধুরীর উপস্থিতিতে রিসার্চ জার্নাল ‘উদার আকাশ’ এর সম্পাদক হিসেবে মৌখিক ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে মুর্শিদাবাদের জন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জোরালো আন্তরিক দাবী জানিয়ে ছিলাম।
ওইদিন আমার সম্পাদিত ‘উদার আকাশ’ পত্রিকার বিশেষ সংখ্যা "উদার ভারত নির্মাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ" সংখ্যাটি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর হাতে তুলে দিয়েছিলাম। সমসাময়িক দৈনিক বিভিন্ন সংবাদপত্রে তার উল্লেখ আছে।
এছাড়াও ১৭ ডিসেম্বর ২০১৫ ড. মধু মিত্র, ড. ইন্দ্রদীপ ঘোষ এবং আমি ফারুক আহমেদ স্বাক্ষর সমন্বিত দাবী পেশ করেছিলাম, এই মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবীতে।
কন্যাশ্রীর সাফল্য, পাশাপাশি অনুমোদিত ইতিপূর্বে ১১ টি স্টেট ইউনিভার্সিটি এবং ৯২ টি কলেজে ন্যাক মূল্যায়ন করেছে। মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীর যুগান্তকারী পদক্ষেপ এর ফলেই বাংলাতে শিক্ষার প্রসার ঘটছে দ্রুত। তার সঙ্গে এই ঘোষণা নিঃসন্দেহে সাধুবাদযোগ্য। ভবিষ্যত মহীরুহের অঙ্কুর, – এই ঘোষণা।
মুখ্যমন্ত্রীর এই উন্নয়ন যজ্ঞে নিজেকে সামিল করতে পেরে ধন্য ও ভবিষ্যত উন্নয়নমূলক প্রকল্পে নিজে ও নিজের ‘উদার আকাশ’ পত্রিকাকে সামিল করতে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবো।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ, সমীপেষু– মুর্শিদাবাদে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ : একটি প্রস্তাবনা নিয়ে আবেদনর কিছু অংশ তুলে দিলাম।
'বর্তমান সরকারের আমলে যে দ্রুতগতিতে প্রায় প্রতিটি জেলাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তা এযাবৎ আমাদের ভাবনাতেও ছিল না। ফলত, মুর্শিদাবাদ জেলাবাসীর মনে লালিত দীর্ঘদিনের পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বাসনা আজ আর স্বপ্ন মনে হচ্ছে না। তথাকথিত আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস স্থাপনের মাধ্যমে এই জেলার মানুষের উচ্চশিক্ষার আকাঙ্খা পূরন হবে না। এখানে পিছিয়ে পড়া পরিবার থেকে যে সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী কলেজে পড়তে আসেন-তারা কেবলমাত্র জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় না থাকার কারণে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। অতএব, সেই পিছিয়ে পড়া মানুষের প্রত্যাশা আকাঙ্খা পুরনের জন্যই এই জেলাতে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন জরুরি।’
‘প্রসঙ্গত আপনাকে জানাই, ইতিমধ্যেই ওয়েবকুপার পক্ষ থেকে গত ৪ অক্টোবর ২০১৫ আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সফলভাবে পথ সভা সংগঠিত করেছি। সেখানে জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও গত ৯ নভেম্বর ২০১৫ বহরমপুর রবীন্দ্রসদনে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি মাননীয় মান্নান হোসেনের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমর্থনে সফল কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।’
‘অতএব পিছিয়ে পড়া জেলার তকমা ঝেড়ে ফেলে উন্নত মুর্শিদাবাদ ও উন্নত বাংলা গড়ার প্রয়োজনেই এই জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। মাননীয়া জননেত্রীর নতুন বাংলা-সোনার বাংলা নির্মাণের অক্লান্ত প্রয়াসে আজ বাংলা ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। বাংলাকে বিশ্ব বাংলা গড়ার যে উদ্যোগ শুরু হয়েছে আপনার অভিভাবকত্বে ও সুযোগ্য নেতৃত্বে মুর্শিদাবাদ জেলাও তার শরিক হয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক স্বপ্নপূরন মাননীয়া জননেত্রীর মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হবে এমনই আমাদের সকলের প্রত্যাশা। এবিষয়ে আপনার সনির্বন্ধন বিবেচনা ও উদ্যোগ গ্রহণের প্রত্যাশায় রইলাম।’
মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে রাজ্য সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েও জেলাবাসীর মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে --
পঠনপাঠন শুরু করতে এত দেরি হচ্ছে কেন?
মুর্শিদাবাদে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে সরকারি উদ্যোগ আর চোখে পড়েছে না কেন প্রশ্ন? বাস্তবিক আজও মুর্শিদাবাদ জেলায় নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুরু হয়নি এবং উদ্বোধনও হয়নি। মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগে ভাঁটা দেখে জেলাবাসী হতাশ হয়েছেন।
"দ্রুত গতিতে সরকারি উদ্যোগে মুর্শিদাবাদ জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় গড়তে হবে।
সবাই জানেন আরও কয়েটি জেলায় যেমন পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হল।
মুর্শিদাবাদ জেলা রাজ্যের সর্বাধিক মুসলিম প্রধান এলাকা।
মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে রাজ্যসরকার উদ্যোগ নিয়েছে তার জন্য অফুরন্ত ধন্যবাদ জানাই।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় "মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়" গড়ার জন্য বিল পাশ হয়েছে সেই উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত করে গত বছর ৩১.০৭.২০১৮ রবিবার বহরমপুরে এক অনুষ্ঠন করে ধন্যবাদ দেওয়ার আয়োজন করা হয়েছিল।
এই বিলের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে মুর্শিদাবাদ জেলাবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবি পূরণ হয়েছে।
রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানানোর উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক সমিতি (ওয়েবকুপা) গত বছর রবিবার ৩০.০৯.২০১৮ "মুর্শিদাবাদ জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা উদযাপন" কর্মসূচি পালন করেছিল।
ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপক্ষে ওয়েবকুপা মুর্শিদাবাদ জেলা কমিটি বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করা হয়পছিল।
বিগত ৯ নভেম্বর ২০১৫ এ বিষয়ে ওয়েবকুপার পরিচালনায় বহরমপুর রবীন্দ্র সদনে সফল নাগরিক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এছাড়াও পথসভা সংগঠিত হয়েছিল।
বিগত ১৭.১২.২০১৫ ওয়েবকুপার জেলা যুগ্ম সম্পাদক ড. মধু মিত্র, ড. ইন্দ্রদীপ ঘোষ এবং উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক ফারুক আহমেদ আমি একটি ডিপিআর মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর নিকট পেশ করি। ঐ ডিপিআরটি প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ে একটি গবেষণামূলক প্রস্তাব হিসেবে এযাবৎ কালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলিল। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই ডিপিআর টিকে মুর্শিদাবাদ জেলাতে বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা ও বিল তৈরিতে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে। এছাড়াও গত ২০১৫ সাল থেকে ওয়েবকুপা মুর্শিদাবাদ জেলা কমিটি একাধিকবার মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর নিকট বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে গণ স্বাক্ষরসহ লিখিত দাবিপত্র পেশ করেছে। যাইহোক, বিধানসভায় "মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় বিল" পাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলাবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবি পূরণ হয়েছে।
এই বিল পাশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘোষণাকে মর্যাদা দেওয়ার কারণেই ওয়েবকুপা গত বছর ৩০.০৯.২০১৮ তারিখের উদযাপন কর্মসূচি নিয়েছিল। বহরমপুরের গোরাবাজার ঈশ্বরচন্দ্র ইনিস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সুব্রত সাহা, বিশিষ্ট লেখক ও উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক তথা মু্র্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনকারী হিসেবে আমি ফারুক আহমেদ, মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান মহ. সোহরাব, বিশিষ্ট লোকসংস্কৃতিবিদ ড. শক্তিনাথ ঝা, জেলার বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী লেখক, সাংবাদিক ও অধ্যাপক এবং শিক্ষকেরা।
চিরেই মুর্শিদাবাদ জেলাতে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে একটি উন্নত মানের পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠতে চলেছে।
সকলেই অবগত আছেন উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক ফারুক আহমেদ বিগত ২০০৭ সাল থেকেই জোরদার লেখালিখি করেছেন এবং সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন মুর্শিদাবাদ জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার জন্য।
এছাড়াও মুর্শিদাবাদ জেলার বহু মানুষ ও সংগঠন আন্দোলন করেছিল শিক্ষা প্রসারে মুর্শিদাবাদ জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার জন্য। বহু দিন পর বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার জন্য বিল পাশ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।
তবে আজও কাজ শুরু হয়নি। মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে দ্রুত কাজ শুরু করুক রাজ্যসরকার। এই দাবীও তোলা হয় বর্ধিত সভা থেকে।
কেউ কেউ বলছেন বিশবাঁও জলে মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তেলার কাজ।
এখনোও পর্যন্ত উপাচার্য নিয়োগ করতে এবং কোথায় মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে তা আজও ঠিক করতে পারল না রাজ্য সরকার।
মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠন-পাঠন ও কাজ শুরু হবে কবে তা কেউ জানে না।
দিন দিন মানুষ আশায় বুক বেঁধেছিলেন মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠন পাঠন শুরু হবে বাস্তবিকই এখন মনে হচ্ছে মমতা সরকারের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে না কি, দ্রুত মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার।
সূত্র: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ, সমীপেষু– মুর্শিদাবাদে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ: একটি প্রস্তাবনা, প্রস্তাবক-ড. মধু মিত্র, সহকারী অধ্যাপক, ডোমকল কলেজ, মুর্শিদাবাদ, ড. ইন্দ্রদীপ ঘোষ, সহকারী অধ্যাপক, ইউ সি টি সি, মুর্শিদাবাদ, এবং ফারুক আহমেদ, সম্পাদক উদার আকাশ, স্থান: বহরমপুর, তারিখ: ১৭-১২-২০১৫'
ফারুক আহমেদ-এর সুচারু পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাবন্ধিক আলিমুজ্জমান, মণিরুদ্দিন খান প্রমুখ।
‘সম্প্রীতির বীজতলা’ নামক পুস্তকটি নিয়ে আলোচনা করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল হাসানাত ও শিক্ষক হাসিবুর রহমান।
এদিনের অনুষ্ঠানের সভাপতি বিপ্লব বিশ্বাস তাঁর বক্তব্যে মুর্শিদাবাদ জেলার পাঁচটি মহকুমাতে একটি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার জন্য রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন।
একদিনের অনুষ্ঠানে আগত সমস্ত মানুষ ও অতিথিদেরকে উদার আকাশ পত্রিকা ও প্রকাশনের সম্পাদক ফারুক আহমেদ ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করেন।
উদার আকাশ পত্রিকার উদ্যোগে কবিতা উৎসব ও এনআরসি নিয়ে আলোচনা কল্যাণীতে।
উদার আকাশ পত্রিকার উদ্যোগে ভারত-বাংলাদেশের কবিরা কবিতা পড়লেন কল্যাণীর বি-১৫, লেক পল্লী সর্বজনীন দুর্গা উৎসব সমিতির সাংস্কৃতিক মঞ্চে।
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী-উৎসব-২০১৯ প্রস্তুতি পর্বের ৬ অক্টোবর কলকাতার সভার পর ৯ অক্টোবর ২০১৯ কল্যাণীতে অনুষ্ঠিত হল উদার আকাশ পত্রিকার উদ্যোগে কবিতা উৎসব। মূল উদ্দেশ্য হল ২১ ডিসেম্বর ২০১৯ ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী উৎসব সফল করা।
বিভিন্ন জেলার বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক, ছড়াকার এবং বাউল শিল্পী স্বপন দত্ত অংশ নিলেন কবিতা উৎসবে।
৯ অক্টোবর বুধবার কল্যাণীতে কবিতা-গল্পপাঠ এবং এনআরসি নিয়ে আলোচনা করলেন ফারুক আহমেদ, বাংলাদেশ থেকে বিশিষ্ট কবি ও শিল্পী ড. পাবলো শাহি, অধ্যাপিকা ফিরোজা বেগমও বক্তব্য রাখলেন।
এপার বাংলার প্রখ্যাত কবি, ছড়াকার ও উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক ফারুক আহমেদ, অনুষ্ঠানের সভাপতি শঙ্কর আচার্য, স্বপন কুমার ভট্টাচার্য, তাপস শেঠ, লালমিয়া মোল্লা, ড. গৌতম ব্যানার্জি, পরিতোষ সিনহা, পদ্মরাগ সরকার, ড. তটিনী দত্ত, সুব্রত সেনগুপ্ত, গায়েত্রী চট্টোপাধ্যায়, স্বপন পাল, নুরুল আমিন বিশ্বাস, কল্যাণী সেনগুপ্ত, শুভায়ুর রহমান, সুখেন্দু বিকাশ মৈত্র, মুকুন্দ লাল রায়, জালাল উদ্দিন আহমেদ, সন্তোষ মুখোপাধ্যায়, নীলিমা চক্রবর্তী কাঞ্জিলাল, পরিমলচন্দ্র মন্ডল, সীমা রায়, সৌমি আচার্য্য, সংঘমিত্রা মুখার্জি, আত্রেয়ী দত্ত, দেবাঞ্জন ভৌমিক, বিশ্বজিৎ সেন, পিয়ালী সিংহ রায়, চন্দন সাহা, সোনালী ঘোষ, বাণী চৌধুরী, অসিত মন্ডল, স্বপন দত্ত, পারমিতা সান্যাল, বিশ্বরূপ ভৌমিক, আয়ুব আলি, কলি মোল্লা, ফারুক মন্ডল, প্রবীর সান্যাল, চৈতালী বসু, ময়ূক হালদার, ইসতাফাজুর রহমান, অপূর্ব কুমার পাল প্রমুখ।
বি-১৫ লেক পল্লী সার্বজনীন দুর্গা উৎসব সমিতির সভাপতি ক্যাপ্টেন দীপঙ্কর রায়, সম্পাদক সুমিত রঞ্জন দাস পান্না ও অরিন্দম নন্দীর সহযোগিতায় এবছর সাহিত্য অনুষ্ঠান সকলের মনে দাগ কাটে।
কলকাতায় এবছর ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী উৎসব অনুষ্ঠিত হবার সম্ভাব্য তারিখ নির্দ্ধারিত হয়েছে ২১ ডিসেম্বর ২০১৯।
উৎসবে দুই বাংলার একঝাঁক স্বনামধন্য কবি-সাহিত্যিক-শিল্পী অংশগ্রহণ করবেন।
এবার দুই বাংলার দু-জন প্রথিতযশা সাহিত্যিককে গৌরকিশোর ঘোষ স্মৃতি পুরস্কার প্রদান করা হবে উদার আকাশ পত্রিকার পক্ষ থেকে। এছাড়াও সম্মাননা জ্ঞাপন করা হবে দুই বাংলার বেশ কয়েকজন কবি ও সাহিত্যিককে।
মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে এছাড়াও উৎসবে থাকবে কবিদের স্বকণ্ঠে কবিতাপাঠ, আবৃত্তি, নৃত্য, সংগীত পরিবেশন সহ বিশেষ আলোচনা সভা। বিস্তারিত অনুষ্ঠান-সূচি খুব শীঘ্রই প্রকাশ পাবে।
দুই বাংলার লেখকদের লেখা নিয়ে প্রকাশিত হবে উদার আকাশ পত্রিকার বিশেষ মৈত্রী সংখ্যা।
প্রস্তুতি সভায় ও কবিতা উৎসবে উপস্থিত ছিলেন ওপার বাংলার বিশিষ্ট কবি ও শিল্পী ড. পাবলো শাহি ও অধ্যাপিকা ফিরোজা বেগম।
এপার বাংলা থেকে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও ছড়াকার আনসার উল হক, কবি লালমিয়া মোল্লা, অধ্যাপক ও লেখক মাসুদ রানা, গবেষক সারমিন সুলতানা এবং অবশ্যই উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক ফারুক আহমেদ।
আড্ডার মেজাজেই আলোচনা শেষে শুরু হয় মনোজ্ঞ এক কবিতা পাঠের আসর।
প্রাথমিক পর্বের এই আলোচনা যথেষ্ট ফলপ্রসূ হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী উৎসবের চূড়ান্ত অনুষ্ঠান সূচি খুব শীঘ্রই প্রকাশিত হবে।


0 Comments