বন্দর
প্রতিনিধি // নাসিক ২৩ নং
ওর্য়াডের বন্দরে থ্রী হুইলার
পরিবহন শ্রমিকলীগের রিসিটে চলছে চাঁদাবাজি।
চাঁদাবাজির রিসিটে জাতির জনক
বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করেছে।
যা রাষ্ট্রদহী মামলার সামিল। যে
শ্লোগান দেশ ও জাতির
গর্ব, সেই শ্লোগানে রিসিটের
মাধ্যমে চালাচ্ছে পরিবহন সেক্টরে ব্যাপক
চাঁদাবাজি। বন্দরের কামাল উদ্দিনের মোড়স্থ
সংগঠনের কার্যালয় উদ্বোধন হয় প্রায় ৬
মাস। কার্যালয়ের নামে রিসিট বই
করে পরিবহন সেক্টরে করছে
ব্যাপক চাঁদাবাজী। রেজি নং- বাজেফ-১১ এর রিসিটে
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
শ্লোগান টি অর্ন্তভুক্ত করেন।
পরিবহনে চাঁদাবাজি নিয়ে যে আলোচনা
হচ্ছে তার চেয়ে বেশি
সমালোচনা হচ্ছে শ্লোগানটি নিয়ে।
সংগঠনের সভাপতি মোঃ আলমগীর
ও সাধারন সম্পাদক মোঃ
নূর আলী ও সাংগঠনিক
সম্পাদক মোঃ রিপন মিলে
প্রায় এক মাস পূর্বে
সংগঠনের কার্যালয় উদ্বোধন করে চাঁদাবাজির মহাৎসোব
চালাচ্ছে। যা নিয়ে সর্ব
মহলে চলছে ব্যাপক সমালোচনা।
ক্ষমতাসীন দলের সাইন বোর্ড
ব্যবহার করে তাদের এই
চাঁদাবাজিকে ভাল দৃষ্টিতে দেখছেন
না সচেতন মহল। তবে
'জয় বাংলা- জয় বঙ্গবন্ধু'
শ্লোগানটি চাঁদাবাজির রিসিটে ব্যবহার নিয়ে
জনমনে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সরকার
দলীয় নেতাদের মাঝে চরম ক্ষোভ
বিরাজ করছে। নাম প্রকাশ
না করার শর্তে একাধিক
আওয়ামীলীগ ও যুবলীগ নেতা
দুঃখ প্রকাশ করে বলেন,
চাঁদাবাজির রিসিটে যে শ্লোগানটি
ব্যবহার করেছে তা মেনে
নিতে কষ্ট হচ্ছে। শ্রমিকলীগের
কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শুক্কুর
মাহমুদ ভাইয়ের দৃষ্টি কামনা
করেছে। থ্রী হুইলার পরিবহন
শ্রমিকলীগের কার্যালয়ের নামে চাঁদাবাজি কখনো
মেনে নেয়া যায় না।
সংগঠনের সভাপতি বিএনপির আলমগীর
মিয়ার মোবাইল নাম্বারে ফোন
দিয়ে পাওয়া যায়নি। বিএনপির
হলেও বর্তমানে তারা সরকার দলীয়
ব্যানার সাটিয়ে করছে চাঁদাবাজি
আর দূর্নাম হচ্ছে সরকারের। অনুপ্রবেশকারীদের
বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী তৃনমূলের নেতাকর্মীদের।
বন্দর
থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা
পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব
এম এ রশিদকে মোবাইল
ফোনে এ বিষয়ে জানতে
চাইলে তিনি প্রথমে থমকে
যায় এবং বলেন সংগঠন
বা ক্লাব কার। ক্লাব
থাকলেই যে চাঁদাবাজি করবে
তা হবে না। রিসিটে
শ্লোগানের কথা শোনে আরো
নীরব হয়ে বলেন, এটা
সত্য বা প্রমান হলেও
অব্যশই ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ বিষয়ে বন্দর থানা
পুলিশের পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম জানান,
কোন প্রকার চাঁদাবাজির ঘটনাকে
মানা হবে না। থ্রী
হুইলার পরিবহনের চাঁদাবাজি সর্ম্পকে আমার জানা নেই।
ঘটনা সত্য হলে অব্যশই
ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
শ্লুকা সরকারের মোবাইল নাম্বারে ফোন
দিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।
চাঁদাবাজি বন্ধে নারায়নগঞ্জ
জেলা পুলিশ সুপার হারুন
অর রশিদের জরুরী হস্থক্ষেপ
কামনা দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের
লোকজন।


0 Comments