লম্পট জয়নাল ফেঁসে যাচ্ছেন


বন্দর প্রতিনিধি
বন্দর উপজেলা কৃষি অফিসের প্রত্যাহার হওয়া সেই উপ সহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা জয়নালের সরকারি অফিসে নারী কর্মচারীর সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডের ঘটনায় ঘঠিত তদন্ত কমিটি গতকাল মঙ্গলবার তদন্ত শুরু করেছে। সকাল ১১ টায় ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি বন্দর উপজেলা কৃষি অফিসে এসে তদন্ত শুরু করে। এ সময় অভিযুক্ত সেই জয়নাল ও নারী কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্ত কমিটিতে ছিলেন তদন্ত কমিটির প্রধান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার ড. গোলাম মোস্তফা, সদস্য অতিরিক্ত উপ পরিচালক মোঃ মুরাদুল হাসান ও সদর উপজেলা কৃষি অফিসার  আবুল গাফ্ফার। তদন্ত কমিটির প্রধান ড. গোলাম মোস্তফা জানান, বিষয়টি তদন্ত করছি আমরা ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করব। তবে তদন্তের স্বার্থে সময় বাড়তে পারে। তদন্ত কমিটি ভিডিও ফুটেজ দেখেন এবং দুই জনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট অফিসের এক কর্মকর্তা জানান, তদন্ত কমিটি প্রথমে সাধারণ চিন্তা করেছিল যে আজকের মধ্যে তদন্ত শেষ করে বিষয়টি মিমাংসা করে ফেলবেন। তবে গণমাধ্যম কর্মীরা এ বিষয়ে জানতে চাওয়ায় তদন্ত কমিটি নড়েচড়ে বসেন। তারা সঠিক তদন্তে দিকে এগাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এদিকে লম্পট জয়নালের লালসার শিকার কৃষিসের মহিলা কর্মচারীর স্বামী জয়নাল আবেদীন বলেন, উপ সহকারি কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জয়নাল আবেদীন অনেক খারাপ লোক আমি যখন এ অফিসে ছিলাম তখন একদিন আমি তার দুর্নীতির জন্য তাকে মারধর করেছি। এদিকে বন্দর কৃষি অফিসের এক কর্মকর্তা জানান, চাকরী হারাতে পারেন লম্পট জয়নাল। জামালপুরের সাবেক ডিসির নারী কেলেংকারীর রেশ কাটতে না কাটতেই বন্দরে সরকারি অফিসে এক কর্মকর্তার অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ফাঁস হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীনের সঙ্গে ওই অফিসের এক নারী অফিস সহায়কের ঘনিষ্ট অবস্থার সিসিটিভির ফুটেজ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পরই জয়নাল আবেদীনকে অন্যত্র বদলী করার কথা জানিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। বন্দর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারহানা সুলতানা জানান, ‘আমি সিসিটিভি ফুটেজ দেখেছি। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছি। তার নির্দেশে অনৈতিক কর্মকান্ডের বিষয়টি জেলা কৃষি কর্মকর্তাকে অবহিত করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লিখিতভাবে পত্র নং ১২.১৮.৮৭০৬.০৩৯.০৪১.১২/৪৬৪ নং স্বারকে জয়নালের অনৈক কর্মকাণ্ডের কথা কিছুটা উল্লেখ করে জেলা কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। এর প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠিত হয় এবং তদন্ত শুরু হয়।

Post a Comment

0 Comments